এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ৩য় দিন { 20-02-2019 morning part} কারক ও বিভক্তি নির্ণয় | Chandina Protidin

এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ৩য় দিন { 20-02-2019 morning part} কারক ও বিভক্তি নির্ণয়

এক মাসে crush program  এর ৩য় দিন চলছে।     New Post

                                          browser এ sit টি bookmark করে রাখুন

                    সকাল , রাত দুবেলা পোস্ট দেয়া হয়  visit করুন    Crush Program All Post

পোস্ট টি সেয়ার করে রাখুন আপনার টাইম লাইনে।

সকল আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের পেজ দুটির সাথে। অনুগ্রহ করে পেজ LearnHatt.com লাইক দিন

                                                                 LearnHatt.com

           এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ১ম দিন morning part

          এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ১ম দিন night part

এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ২য় দিন morning part

         এক মাসে সিলেবাস শেষ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯- ২য় দিন night part

                                                              কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের

চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের

কোন আলোচনা, পরামর্শ, উপদেশ, বা প্রশ্ন থাকলে পেজে LearnHatt.com  গিয়ে কমেন্ট করুন 

                                                      কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের

বাক্যের একটি শব্দের সঙ্গে আরেকটি শব্দের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য শব্দগুলোর সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত করতে হয়। এই শব্দাংশগুলোকে বলা হয় বিভক্তি।
মা শিশু চাঁদ দেখা।
উপরের বাক্যটিতে কোন শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করা হয়নি। ফলে বাক্যের শব্দগুলোর মধ্যে কোন সম্পর্ক সৃষ্টি হয়নি, এবং এগুলো বাক্যও হয়ে উঠতে পারেনি। এখন শিশু’র সঙ্গে কে বিভক্তি আর দেখা’র সঙ্গে চ্ছেন’ বিভক্তি যোগ করলে বাক্যটি হবে-
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।

বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার-

বিভক্তির নাম বিভক্তি
প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি ০, অ
দ্বিতীয়া বিভক্তি কে, রে
তৃতীয়া বিভক্তি দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক
চতুর্থী বিভক্তি কে, রে*
পঞ্চমী বিভক্তি হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে
ষষ্ঠী বিভক্তি র, এর
সপ্তমী বিভক্তি এ, য়, তে

চতুর্থী বিভক্তি শুধুমাত্র সম্প্রদান কারকে যুক্ত হয়।
বচনভেদে বিভক্তির আকৃতি পরিবর্তিত হয়। তবে কোন বিভক্তি চিহ্নিত করার জন্য উপরের বিভক্তির তালিকাটি মনে রাখলেই চলবে।
বিভক্তির নাম লেখার সময় কখনো সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা যাবে না। অর্থাৎ দ্বিতীয়া বিভক্তিকে কখনোই ২য়া বিভক্তি লেখা যাবে না।

                                                                               কারক

কারক শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘যা ক্রিয়া সম্পাদন করে’।
বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে। অর্থাৎ, বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
কারক ৬ প্রকার-
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণকারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক

                                                                          কর্তৃকারক

বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক। (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)
উদাহরণ-
গরু ঘাস খায়। (কে খায়) : কর্তৃকারকে শূণ্য বিভক্তি

                                                                               কর্ম কারক

যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী/ কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক।বাক্যে দুইটি কর্ম থাকলে বস্ত্তবাচক কর্মটিকে প্রধান বা মুখ্য কর্ম ও ব্যক্তিবাচক কর্মটিকে গৌণ কর্ম বলে। তবে দুইটি একই ধরনের কর্ম থাকলে প্রথম কর্মটিকে উদ্দেশ্য কর্ম ও দ্বিতীয়টিকে বিধেয় কর্ম বলে।

যেমন- ‘দুধকে মোরা দুগ্ধ বলি, হলুদকে বলি হরিদ্রা’। এখানে ‘দুধ’ ও ‘হলুদ’ উদ্দেশ্য কর্ম, ‘দুগ্ধ’ ও ‘হরিদ্রা’ বিধেয় কর্ম।
কর্তা নিজে কাজ না করে কর্মকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিলে তাকে প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম বলে।
ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। [ক্রিয়াপদ]
উদাহরণ-
বাবা আমাকে একটি ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। (কাকে দিয়েছেন? আমাকে। কী দিয়েছেন? ল্যাপটপ) : আমাকে- কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি (গৌণ কর্ম), ল্যাপটপ- কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি (মুখ্য কর্ম)
ডাক্তার ডাক। (কাকে ডাক?) : কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি
আমাকে একটা বই দাও। (কাকে দাও? আমাকে। কী দাও? বই) : আমাকে- কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি (গৌণ কর্ম), বই- কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি (মুখ্য কর্ম)
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থণা। (কাকে করিবে? আমারে) : কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
তোমার দেখা নাই। (কার দেখা? তোমার) : কর্মকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
জিজ্ঞাসিবে জনে জনে। (কাকে জিজ্ঞাসিবে? জনে জনে) : কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি

                                                                          করণ কারক

করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।যে উপাদান বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে করণ কারক বলে।ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে/ কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক।

উদাহরণ-
পিয়াল কলম দিয়ে লিখছে। (কী দিয়ে লেখে? কলম দিয়ে) :করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
কীর্তিমান হয় সাধনায়। (কী উপায়ে হয়? সাধনায়) : করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
ডাকাতেরা গৃহকর্তার মাথায় লাঠি মেরেছে। (কী দিয়ে মেরেছে? গুলি): করণ কারকে শূণ্য বিভক্তি
লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ করা হয়। (কী দিয়ে চাষ করা হয়? লাঙ্গল দিয়ে): করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
মন দিয়ে পড়াশুনা কর। (কী উপায়ে/ দিয়ে কর? মন দিয়ে) :করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। (কী দিয়ে ভরেছে? ফুলে ফুলে) : করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়। (কী দিয়ে/ উপায়ে চেনা যায়? গোঁফে): করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
সাধনায় সব হয়। (কী উপায়ে সব হয়? সাধনায়) : করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
এ সুতায় কাপড় হয় না। (কী দিয়ে হয় না? সুতায়) : করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি

                                                                 সম্প্রদান কারক

যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেয়া হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। ‘কাকে দান করা হল’ প্রশ্নের উত্তরই হলো সম্প্রদান কারক।
সম্প্রদান কারকের নিয়ম অন্যান্য নিয়মের মতোই সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকেই এসেছে। তবে অনেক বাংলা ব্যাকরণবিদ/ বৈয়াকরণ একে আলাদা কোন কারক হিসেবে স্বীকার করেন না। তারা একেও কর্ম কারক হিসেবেই গণ্য করেন। কর্মকারক ও সম্প্রদান কারকের বৈশিষ্ট্যও একই। কেবল স্বত্ব ত্যাগ করে দান করার ক্ষেত্রে কর্মকারক হিসেবে গণ্য না করে কর্মপদটিকে সম্প্রদান কারক হিসেবে গণ্য করা হয়।
সম্প্রদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির বদলে চতুর্থী বিভক্তি যুক্ত হয়। চতুর্থী বিভক্তি আর কোথাও যুক্ত হয় না। অর্থাৎ, ‘কে/ রে’ বিভক্তি দুটি সম্প্রদান কারকের সঙ্গে থাকলে তা চতুর্থী বিভক্তি। অন্য কোন কারকের সঙ্গে থাকলে তা দ্বিতীয়া বিভক্তি।
তবে কোথাও নিমিত্তার্থে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত হলে তা চতুর্থী বিভক্তি হয়। যেমন- বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল। (নিমিত্তার্থে চতুর্থী বিভক্তি)
উদাহরণ-
ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। (কাকে দান করা হল? ভিখারিকে।) : সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
অসহায়কে খাদ্য দাও। (কাকে দান করা হল? অসহায়কে।) : সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
অন্ধজনে দেহ আলো, মৃতজনে দেহ প্রাণ। (কাকে দান করা হল? অন্ধজনে।): সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
সমিতিতে চাঁদা দাও। (কাকে দান করা হল? সমিতিতে।) : সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি

                                                                অপাদান কারক

যা থেকে কোন কিছু গৃহীত, বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত, রক্ষিত, ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।অর্থাৎ, অপাদান কারক থেকে কোন কিছু বের হওয়া বোঝায়।‘কি হতে বের হল’ প্রশ্নের উত্তরই অপাদান কারক।

উদাহরণ-
গাছ থেকে পাতা পড়ে। (কি হতে বের হল/ পড়ল? গাছ থেকে): অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
শুক্তি থেকে মুক্তি মেলে। (কি হতে বের হল? শুক্তি থেকে) : অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
জমি থেকে ফসল পাই। (কি হতে বের হল? জমি থেকে) : অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
দেশ থেকে হায়েনারা চলে গেছে। (কি হতে বের হল? দেশ থেকে):অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
বিপদ থেকে বাঁচাও। (কি হতে বাঁচাও? বিপদ হতে) : অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
বাঘকে ভয় পায় না কে? (কি হতে ভয় বের হল? বাঘ হতে): অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
মনে পড়ে সেই জৈষ্ঠ্যের দুপুরে পাঠশালা পলায়ন। (কি হতে বের হল/ পলায়ন? পাঠশালা হতে) : অপাদান কারকে শূণ্য বিভক্তি
বাবাকে বড্ড ভয় পাই। (কি হতে ভয় বের হয়? বাবা হতে): অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
তিনি চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন। (কি হতে বের হয়েছেন/ এসেছেন? চট্টগ্রাম হতে): অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছিলো। (কি হতে বের হল/ ফেলা হল? বিমান হতে): অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি

                                                                 অধিকরণ কারক

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে।ক্রিয়াকে ‘কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।

উদাহরণ-
পুকুরে মাছ আছে। (কোথায় আছে? পুকুরে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
বনে বাঘ আছে। (কোথায় আছে? বনে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। (কোথায় বাঁধা আছে? ঘাটে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা। (কোথায় বাঁধা? দুয়ারে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
সকালে সূর্য ওঠে। (কখন ওঠে? সকালে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
এ বাড়িতে কেউ নেই। (কোথায় কেউ নেই? বাড়িতে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
নদীতে পানি আছে। (কোথায় আছে? নদীতে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
রবিন অঙ্কে কাঁচা। (কী বিষয়ে কাঁচা? অঙ্কে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
সজিব ব্যাকরণে ভাল। (কী বিষয়ে কাঁচা? ব্যাকরণে) : অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
ঘরের মধ্যে কে রে? (কোথায়? ঘরে) : অধিকরণ কারকে অনুসর্গ মধ্যে
বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়। (কোথায় থেকে দেখা যায়? বাড়ি থেকে):অধিকরণে পঞ্চমী বিভক্তি*

শেষ উদাহরণটিতে নদী বাড়ি থেকে বের হয়নি, তাই এটি অপাদান কারক নয়। নদী বাড়ি থেকেই দেখা যায়। অর্থাৎ, ক্রিয়াটি বাড়িতেই ঘটছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
অপাদান-অধিকরণ কারকের পার্থক্য

অপাদান ও অধিকরণ কারক আলাদা করতে গিয়ে অনেকেরই সমস্যা হয়। অপাদান ও অধিকরণ কারককে আলাদা করে চেনার সহজ উপায় হলো, অপাদান কারক থেকে কোন কিছু বের হয় বোঝায়। আর অধিকরণ কারকের মাঝেই ক্রিয়া সম্পাদিত হয়।

যেমন- ‘তিলে থেকে তেল হয়’ আর ‘তিলে তেল আছে’।
প্রথম বাক্যে তিলের ভেতর ক্রিয়া সংঘটিত হয়নি। বরং তিল থেকে তেল বের হওয়ার কথা বোঝাচ্ছে।
আর দ্বিতীয় বাক্যে তিলের ভেতরই তিল থাকার কথা বলছে। এই ‘আছে’ ক্রিয়াটি তিলের ভেতরে থেকেই কাজ করছে।
এরকম-বিপদ থেকে বাঁচাও- অপাদান কারক
বিপদে বাঁচাও- অধিকরণ কারক
শুক্তি থেকে মুক্তি মেলে- অপাদান কারক
শুক্তিতে মুক্তি হয়- অধিকরণ কারক
জমি থেকে ফসল পাই- অপাদান কারক
জমিতে ফসল হয়- অধিকরণ কারক
নিচে কারক নির্ণয়ের উপায় সংক্ষেপে ছক আকারে দেয়া হলো-

কোন আলোচনা, পরামর্শ, উপদেশ, বা প্রশ্ন থাকলে পেজে LearnHatt.com  গিয়ে কমেন্ট করুন 

                                                            ক্রিয়াকে প্রশ্ন উত্তর যে কারক
কে, কারা?-কর্তৃকারক
কী, কাকে?-কর্মকারক
কী দিয়ে?- করণকারক
কাকে দান করা হল?-সম্প্রদান কারক
কি হতে বের হল?-অপাদান কারক
কোথায়, কখন, কী বিষয়ে?-অধিকরণ কারক

 

কিছু কারক ও বিভক্তির উদাহরণ

প্রশ্নঃ ‘বসন্তে ফুল ফোটে’ -‘বসন্তে’ কোন কারক?
উত্তরঃ অধিকরণ কারক
প্রশ্নঃ ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও – ‘ছেলেটিকে’ কোন কর্ম ?
উত্তরঃ প্রযোজক ক্রিয়ার কর্মর
প্রশ্নঃ ‘তিনি চোখে দেখেন না’ -‘চোখে কোন কারক?
উত্তরঃ করণ কারক
প্রশ্নঃ ‘জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়।’ -এখানে ‘সাধনায়’ শব্দটি কোন কারক ও কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণকারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ ?
উত্তরঃ দীনে দয়া কর
প্রশ্নঃ ‘মাঠে ধান ফলেছে।’ বাক্যে ‘মাঠে’ কোন কারক?
উত্তরঃ স্থানধিকরণ
প্রশ্নঃ ‘কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল’-এ বাক্যে ‘কাননে’ কোন কারক ও বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে সপ্তমী
প্রশ্নঃ পড়াশোনায় মন দাও বাক্যে পড়াশোনায় শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মে ৭মী
প্রশ্নঃ ডাক্তার ডাক বাক্যে ডাক্তার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মকারকে শূন্য
প্রশ্নঃ ‘অহঙ্কার পতনের মূল’ -বাক্যে অহঙ্কার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণে শূন্য
প্রশ্নঃ শহরের লোকেরা গায়ে এসেছে – এ বাক্যে ‘লোকেরা’ কোন কারকে ?
উত্তরঃ কর্তৃকারক
প্রশ্নঃ ‘তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত।’ -এ বাক্যে ‘ব্যাকরণে’ কোন কারক ও কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণ কারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ ‘তিলে তৈল হয়’-এ বাক্যে কোন কারকে কোন বিভক্তি বিদ্যমান?
উত্তরঃ অপাদান কারকে তৃতীয়া
প্রশ্নঃ ‘মেঘে বৃষ্টি হয়’ -এখানে কারক হল-
উত্তরঃ অপাদান
প্রশ্নঃ উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে কোন ধরনের অধিকরণ বলে ?
উত্তরঃ অভিব্যাপক অধিকরণ
প্রশ্নঃ কোনটি অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ?
উত্তরঃ বাবা বাড়ি নেই
প্রশ্নঃ ‘ব্যায়ামে শরীর ভাল হয়’ -বাক্যে ব্যায়ামে শব্দটি কোন কারকে কোন্ বিভক্তি?
উত্তরঃ করণ কারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ টাকায় অসাধ্য সাধন হয়– বাক্যে টাকায় শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণ কারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ আধার শব্দের অর্থ কি ?
উত্তরঃ স্থান
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি অভিব্যাপক অধিকরণের উদাহরণ ?
উত্তরঃ নদীতে মাছ আছে
প্রশ্নঃ ‘আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা’ -এ বাক্যে ‘আমারে’ শব্দটির কারক ও বিভক্তি কি?
উত্তরঃ কর্মকারকে দ্বিতীয়া
প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদানে সপ্তমীর উদাহরণ?
উত্তরঃ অন্ধজনে দেহ আলো
প্রশ্নঃ ‘আরেফ বই পড়ে’ বাক্যে বই শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মকারকে শূন্য
প্রশ্নঃ ‘বাবাকে বড় ভয় পাই।’ -‘বাবাকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অপাদানে দ্বিতীয়া
প্রশ্নঃ ক্রিয়া পদের সাথে সম্বন্ধযুক্ত পদকে কি বলে?
উত্তরঃ কারক
প্রশ্নঃ শব্দ বিভক্তি কত প্রকার ?
উত্তরঃ ৭ প্রকার
প্রশ্নঃ নীল আকাশের নিচে আমি (রাস্তা) চলেছি একা। চিহ্নিত শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি ?
উত্তরঃ করণে শূন্য
প্রশ্নঃ ‘রাজায় রাজায় লড়াই হয়।’ রাজায় রাজায় পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি হয়?
উত্তরঃ কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
প্রশ্নঃ ‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান’ মালা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণকারকে শূন্য
প্রশ্নঃ কর্তা যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে বলে –
উত্তরঃ করণকারক
প্রশ্নঃ ‘টাকায় কি না হয়’‘-টাকায়’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ রণে ৭মী
প্রশ্নঃ ‘সর্বাঙ্গে ব্যাথা, ঔষধ দিব কোথা’ -এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ ?
উত্তরঃ কর্মকারকে শূন্য
প্রশ্নঃ ‘ঘরেতে ভ্রমর এল গুণগুণিয়ে’- ঘরেতে কোন কারক?
উত্তরঃ অধিকরণে ৭মী
প্রশ্নঃ ‘শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে’ -বাক্যে পাঠে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি
উত্তরঃ কর্মে সপ্তমী
প্রশ্নঃ কৃপণের ধন — এটা কোন ধরণের সম্বন্ধ কোথায় ?
উত্তরঃ আধাররের
প্রশ্নঃ অনেক বৈয়াকরণ কোন কারক স্বীকার করেন না ?
উত্তরঃ সম্প্রদান
প্রশ্নঃ বেলা যে পড়ে এল (জলকে) চল। কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
উত্তরঃ নিমিত্তার্থে ৪র্থী
প্রশ্নঃ অল্প শোকে কাতর— বাক্যে শোকে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণ কারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ ‘করণ’ শব্দটির অর্থ কি ?
উত্তরঃ সহায়ক
প্রশ্নঃ ‘বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়’ -‘বাঘে মহিষে’ কর্তৃকারকের প্রকারভেদে কোন কর্তার উদাহরণ?
উত্তরঃ ব্যতিহার কর্তা
প্রশ্নঃ অপ্রাণী বা ইতর প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে কোন বিভক্তি যুক্ত হয় না ?
উত্তরঃ রা
প্রশ্নঃ ‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’ বাক্যে পায়ের শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণকারকে ষষ্ঠী
প্রশ্নঃ ছেলেরা ক্রিকেট খেলে– বাক্যে ক্রিকেট শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মে শূন্য
প্রশ্নঃ যে বিশেষ্য বা সর্বনাম ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কোন কারক বলে ?
উত্তরঃ কর্তৃকারক
প্রশ্নঃ ‘বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়’ -বাক্যে বাড়ি শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে পঞ্চমী
প্রশ্নঃ ‘হালিমা ফুল তুলছে’ -এ বাক্যে ‘ফুল’ কোন কারক?
উত্তরঃ কর্মকারক
প্রশ্নঃ যাকে সম্বোধন করে কিছু বলা হয়, তাকে কি বলে ?
উত্তরঃ ক্রিয়ার সাথে সম্পর্ক না থাকায়
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ ?
উত্তরঃ (গায়ে )মানে না আপনি মড়ল
প্রশ্নঃ ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’ -এখানে জল ও পাতা কোন কারক-বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্তায় প্রথমা
প্রশ্নঃ সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে?
উত্তরঃ ‘র’ বা ‘এর’
প্রশ্নঃ ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল-বাক্যে ভাইয়ে ভাইয়ে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্তায় ৭মী
প্রশ্নঃ একই ধাতু থেকে ক্রিয়া ও কর্ম গঠিত হলে তাকে কি কর্ম বলে ?
উত্তরঃ সমধাতুজ
প্রশ্নঃ রুপার থালা সোনার বাটি – এগুলো কোন সম্বন্ধ পদের উদাহরণ ?
উত্তরঃ ও -কারান্ত
প্রশ্নঃ ‘প্রভাতে উদল রবি লোহিত বরণ’ -বাক্যে প্রভাতে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে ৭মী
প্রশ্নঃ আমার যাওয়া হয়নি — বাক্যের আমার কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
উত্তরঃ কর্তায় ষষ্ঠী
প্রশ্নঃ ‘সব ঝিনুকে মুক্ত পাওয়া যায় না’-বাক্যে ঝিনুকে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অপাদানে ৭মী
প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদান কারকের উদাহরণ ?
উত্তরঃ অন্ধজনে দেহ আলো
প্রশ্নঃ ‘বনে ফুল ফোটে’ -‘বনে কোন কারক?
উত্তরঃ অধিকরণ কারক
প্রশ্নঃ অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ-
উত্তরঃ বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়
প্রশ্নঃ ‘ফুলে মালা গাঁথা’ ‘ফুলে’ কোন কারক?
উত্তরঃ করণ কারক
প্রশ্নঃ ‘শুক্রবার স্কুল বন্ধ’ -বাক্যে স্কুল শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মে শূন্য
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি ঐকদেশিক অধিকরণের উদাহরণ ?
উত্তরঃ আঁকাশে চাঁদ উঠেছে
প্রশ্নঃ ক্রিয়া সম্পাদনের বিচিত্র্য অনুসারে কর্তা কয় প্রকার ?
উত্তরঃ ৪ প্রকার
প্রশ্নঃ বাঁশি বাজে – ‘বাঁশি’ কোন কর্তা ?
উত্তরঃ কর্ম -কর্তৃবাচ্যের কর্তা
প্রশ্নঃ ‘আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস’- এই বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
উত্তরঃ অধিকরণে কারকে সপ্তমী
প্রশ্নঃ ‘আমি কাল বাড়ি যাব।’ ‘আমি’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্তৃকারকে ১মা
প্রশ্নঃ ‘নদীতে মাছ ধরা সহজ নয়।’ -এখানে ‘নদীতে’ পদটি কোন কারক ও কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
প্রশ্নঃ ‘আষাঢ়ে বৃষ্টি নামে’ -বাক্যে আষাঢ়ে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে ৭মী
প্রশ্নঃ তিনি (চোখে) দেখেন না।
উত্তরঃ করণ কারক
প্রশ্নঃ বাক্যের প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা কয় প্রকার ?
উত্তরঃ ৩ প্রকার

আমাদের official facebook Group  Govt. Jobs Bangladesh | সরকারি চাকরি

আমাদের official facebook page  LearnHatt.com

প্রতিদিনের আন্তর্জাতিক খবর পড়ুন  আন্তর্জাতিক খবর

 

                                            চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন কারক ও বিভক্তি

১। তিনি চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন।
—এখানে‘চট্টগ্রাম’ কোন কারক?
ক. কর্তৃকারক
খ. কর্মকারক
গ. অধিকরণ কারক
ঘ. অপাদান কারক √

২। অধিকরণ কারক কয় প্রকার?
ক. দুই
খ. তিন √
গ. চার
ঘ. পাঁচ

৩। ভাবাধিকরণে সব সময় কোন
বিভক্তি যুক্ত হয়?
ক. পঞ্চমী
খ. ষষ্ঠী
গ. সপ্তমী √
ঘ. সবগুলো

৪। ‘সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়’ —‘সূর্যোদয়ে’ পদটি কোন কারকে কোন
বিভক্তি?
ক. অধিকরণে সপ্তমী
খ. ভাবাধিকরণে সপ্তমী √
গ. কর্মে দ্বিতীয়া
ঘ. অধিকরণে পঞ্চমী

৫। ‘কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়’—‘কান্নায়’ কোন কারক?
ক. অপাদান কারক
খ. কালাধিকরণ
গ. ভাবাধিকরণ √
ঘ. আধারাধিকরণ

৬। ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি কোনটি?
ক. কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় √
খ. টাকায় টাকা হয়
গ. এ অধীনে দায়িত্বভার অর্পণ করো
ঘ. ওপরের কোনোটিই নয়

৭। ভাবে সপ্তমীর উদাহরণ কোনটি?
ক. আমাদের সেনারা যুদ্ধে অপরাজেয়
খ. একদা প্রভাতে ভানুর প্রভাতে ফুটিল কমলকলি
গ. চন্দ্রোদয়ে কুমুদিনী বিকশিত হয় √
ঘ. প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ

৮। ‘এ দেহে প্রাণ নেই’—‘দেহে’ কোন
কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্তায় সপ্তমী বিভক্তি
খ. করণে সপ্তমী বিভক্তি
গ. সম্প্রদানে সপ্তমী বিভক্তি
ঘ. অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি √

৯। ‘বনে বাঘ আছে’—‘বনে’ কোন কারক?
ক. বৈষয়িক অধিকরণ
খ. ভাবাধিকরণ
গ. ঐকদেশিক অধিকরণ √
ঘ. অভিব্যাপক অধিকরণ

১০। ‘পুকুরে মাছ আছে’—‘পুকুরে’ কোন
প্রকার অধিকরণ কারক?
ক. ঐকদেশিক √
খ. অভিব্যাপক
গ. বৈষয়িক
ঘ. একটিও নয়

১১। ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’—‘আকাশে’
কোন অধিকরণ?
ক. অভিব্যাপক
খ. বৈষয়িক
গ. ঐকদেশিক √
ঘ. কালাধিকরণ

১২। সামীপ্য অর্থে কোন অধিকরণ হয়?
ক. ঐকদেশিক √
খ. অভিব্যাপক
গ. বৈষয়িক
ঘ. ভাবাধিকরণ

১৩। ‘জমি থেকে ফসল পাই’—বাক্যটিতে
কোন অর্থে অপাদান ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. জাত √
খ. গৃহীত
গ. রক্ষিত
ঘ. বিচ্যুত

১৪। নৌকা ঘাটে বাঁধা—‘ঘাটে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্মে দ্বিতীয়া
খ. করণে সপ্তমী
গ. অধিকরণে সপ্তমী √
ঘ. অপাদানে পঞ্চমী

১৫। ‘রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা’—এ
বাক্যে‘দুয়ারে’ শব্দটি কোন ধরনের
অধিকরণ?
ক. ভাবাধিকরণ
খ. ঐকদেশিক অধিকরণ √
গ. অভিব্যাপক অধিকরণ
ঘ. আধারাধিকরণ

১৬। সামীপ্য অর্থে কোন বাক্যে
ঐকদেশিক অধিকরণের প্রয়োগ হয়েছে?
ক. সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়
খ. রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা √
গ. খোকন অঙ্কে কাঁচা
ঘ. আকাশে চাঁদ উঠেছে

১৭। বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।
—‘বাড়ি থেকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. অপাদানে পঞ্চমী
খ. কর্মে পঞ্চমী
গ. করণে পঞ্চমী
ঘ. অধিকরণে পঞ্চমী √

১৮। ‘সোনার খাঁচায় রাখব তোমায়’ —‘সোনার খাঁচায়’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. করণে সপ্তমী
খ. অপাদানে সপ্তমী
গ. কর্মে শূন্য
ঘ. অধিকরণে সপ্তমী √

১৯। ‘খিলিপান দিয়ে ওষুধ খাবে।
’—‘খিলিপান দিয়ে’ কোন কারকে কোন
বিভক্তি?
ক. অধিকরণে তৃতীয়া √
খ. কর্তায় তৃতীয়া
গ. কর্মে তৃতীয়া
ঘ. করণে তৃতীয়া

২০। উদ্দীষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার
ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে
তাকে কোন আধারাধিকরণ বলে?
ক. ঐকদেশিক
খ. অভিব্যাপক √
গ. বৈষয়িক
ঘ. সামীপ্য অর্থে ঐকদেশিক

২১। কোনটি অধিকরণ কারকে শূন্য
বিভক্তির উদাহরণ?
ক. তিনি ঢাকায় থাকেন
খ. বাবা বাড়ি নেই √
গ. সকালে সূর্য ওঠে
ঘ. ভোরে মোরগ ডাকে

২২। বাবা বাড়ি নেই—নিম্নরেখ পদটি
কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্মে শূন্য
খ. কর্তায় শূন্য
গ. অধিকরণে শূন্য √
ঘ. অপাদানে দ্বিতীয়া

২৩। অধিকরণ কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
ক. সব ঝিনুকে মুক্তা নেই
খ. গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা
গ. কূলে একা বসে আছি
ঘ. আজকে তোমায় দেখতে এলেম √

২৪। ‘এক থালাতে খাব মোরা’—বাক্যের
রেখাঙ্কিত পদটি কোন কারকে কোন
বিভক্তি?
ক. অধিকরণে সপ্তম √
খ. কর্মে প্রথমা
গ. করণে সপ্তমী
ঘ. অপাদানে সপ্তমী

২৫। সম্বন্ধ ও সম্বোধন পদ কারক নহে।
কারণ—
ক. কর্তার সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না
খ. ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না √
গ. বিভক্তিযুক্ত হয় না
ঘ. কর্তা নিজে ক্রিয়া সমাধান করে

২৬। সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়ে
থাকে?
ক. ‘য়’ বা‘তে’/য়
খ. ‘এ’ বা‘এতে’/এ
গ. ‘র’ বা‘এর’/র √
ঘ. ‘থেকে’ বা‘চেয়ে’/কে

২৭। সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
ক. শূন্য
খ. ষষ্ঠী √
গ. দ্বিতীয়া
ঘ. চতুর্থী

২৮। ব্যাপ্তি অর্থে সম্বন্ধ পদ কোনটি?
ক. রাজার রাজ্য
খ. বাটির দুধ
গ. দেশের লোক
ঘ. রোজার ছুটি √

২৯। ব্যাপ্তি অর্থে সম্বন্ধ পদ কোনটি?
ক. রাজার রাজ্য
খ. বাটির দুধ
গ. দেশের লোক
ঘ. শরতের আকাশ √

৩০। ‘রাজার হুকুম’—এটি কোন ধরনের
সম্বন্ধ?
ক. কর্তৃ সম্বন্ধ √
খ. কর্ম সম্বন্ধ
গ. করণ সম্বন্ধ
ঘ. অপাদান সম্বন্ধ

৩১। অপাদান সম্বন্ধ কোনটি?
ক. রাজার হুকুম
খ. চোখের দেখা
গ. প্রভুর সেবা
ঘ. সাপের ভয় √

৩২। নিচের কোনটিতে অধিকার সম্বন্ধ?
ক. রাজার রাজ্য √
খ. ধনের অহংকার
গ. হাতির দাঁত
ঘ. মধুর মিষ্টতা

৩৩। কোন বাক্যে সম্বন্ধ পদ আছে?
ক. ফুলে ফুলে বাগান ভরেছে
খ. তাকে গ্রামে যেতে হয়
গ. আমাদের পাড়ার সুজিত কবিতা লেখে √
ঘ. সূর্যাস্তে চারদিক অন্ধকারে আবৃত হয়

৩৪। ‘সমিতিতে চাঁদা দাও। ’—এখানে
সমিতিতে কোন কারক?
ক. অপাদান কারক
খ. সম্প্রদান কারক √
গ. করণ কারক
ঘ. কর্তৃকারক

৩৫। কোনটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী
বিভক্তির উদাহরণ?
ক. ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে
খ. পাগলে কি না বলে
গ. তিলে তেল হয়
ঘ. সমিতিতে চাঁদা দাও √

৩৬। ‘অন্ধজনে দেহ আলো। ’—নিম্নরেখ
পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্মে সপ্তমী
খ. কর্মে দ্বিতীয়া
গ. সম্প্রদানে সপ্তমী √
ঘ. সম্প্রদানে চতুর্থী

৩৭। ‘মসজিদে টাকা দাও’—
বাক্যে‘মসজিদে’ কোন কারকে কোন
বিভক্তি?
ক. কর্মে সপ্তমী
খ. সম্প্রদানে সপ্তমী √
গ. অধিকরণে সপ্তমী
ঘ. অপাদানে সপ্তমী

৩৮। ‘মৃতজনে দেহ প্রাণ’—নিম্নরেখ পদটি
কোন কারকের কোন বিভক্তি?
ক. কর্ম, দ্বিতীয়া
খ. কর্ম, সপ্তমী
গ. সম্প্রদান, চতুর্থী
ঘ. সম্প্রদান, সপ্তমী √

৩৯। কোন বাক্যটিতে নিমিত্তার্থে
চতুর্থী বিভক্তির প্রয়োগ দেখানো
হয়েছে?
ক. বাবাকে ভয় পাই
খ. ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও
গ. তাকে ডেকে আন
ঘ. ‘বেলা যে পড়ে এলো, জলকে চল’ √

৪০। ‘দুধ থেকে দই হয়’ —এখানে‘দুধ থেকে’ কোন অর্থে অপাদান?
ক. গৃহীত √
খ. জাত
গ. বিচ্যুত
ঘ. আরম্ভ

৪১। ‘শুক্তি থেকে মুক্তো মেলে’—
বাক্যটিতে নিম্নরেখ পদ কোন অর্থে
অপাদান কারক?
ক. বিচ্যুত
খ. জাত
গ. গৃহীত √
ঘ. রক্ষিত

৪২। ‘জাত’ অর্থে অপাদান কারক
কোনটি?
ক. জমি থেকে ফসল পাই √
খ. দুধ থেকে দই হয়
গ. মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়
ঘ. শুক্তি থেকে মুক্তো মেলে

আমাদের official facebook Group  Govt. Jobs Bangladesh | সরকারি চাকরি

আমাদের official facebook page  LearnHatt.com

প্রতিদিনের আন্তর্জাতিক খবর পড়ুন  আন্তর্জাতিক খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Ajker-Comilla

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
চান্দিনা প্রতিদিন ২০১৬-২০১৯

প্রধান সম্পাদক: সাইফুদ্দিন বাপ্পী, নির্বাহী সম্পাদক: সাদেক হোসেন, মোবাইল-০১৬৮১-৯৩৯৭৩৫
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়- চান্দিনা হাইস্কুল মার্কেট (২য় তলা), চান্দিনা থানা রোড, কুমিল্লা।
Email- news.chandinapratidin@gmail.com